KOLKATA WEATHER
দক্ষিণবঙ্গকলকাতাকলকাতা পুলিশ

লকডাউন: ভাবের ঘরে চুরি করে লাভ কি?

শনিবার আগস্টের দ্বিতীয় লক ডাউন। করোনা রুখতে নবান্ন ঘোষিত এই পূর্ণ লকডাউন ঠিকঠাকভাবে পালন করতে এদিন সকাল থেকেই মাঠে নেমেছেন পুলিশকর্মীরা। পুলিশের রক্তচক্ষু দেখে ঘরে সেঁধিয়েছে অকারণে বাইরে বেরোনো মানুষ। আর করোনা এবং লকডাউন উপেক্ষা করে ঘর থেকে বেরিয়েছেন যাঁরা, তাঁরা নিতান্তই বিপদে পড়ে।
লকডাউন ছাড়াও সপ্তাহের অন্য দিনগুলোয় যাঁরা পথে বের হন, তাঁরাও তো বিপদে পড়েই বের হন পথে। এঁদের কেউ পেটের ভাত জোগাড় করতে, কেউবা অসুস্থ ছেলেমেয়ের পড়াশোনা কিংবা ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে পথে বের হন। ফি দিন সকালে মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য করে মাস্ক নিয়ে এঁরাই বেরিয়ে পড়েন পথে। অফিসের ব্যস্ত সময়ে এঁরাই বাদুড়ঝোলা হয়ে যাতায়াত করেন বাসে।
মাস তিনেকের টানা লকডাউন পর্ব পেরিয়ে সবে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে গোটা দেশ। স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা চলছে এ রাজ্যেও। সেই কারণেই শুরু হয়েছে বাস চলাচল। প্রথম দিকে বাসে উঠতে চাইতেন না করোনা ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত মানুষ। পরে অবশ্য আপস করে নিয়েছেন রুজির জন্য। সেই কারণেই সোশ্যাল ডিসটেনসিং বিধির তোয়াক্কা না করেই উঠছেন ভিড় বাসে।
অথচ এখনও করোনার প্রতিষেধক বের হয়নি। বাজার চলতি ওষুধ দিয়েই চলছে মারণ এই ভাইরাসের মোকাবিলা।

আরও পড়ুনঃ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চোট যাওয়া টাকার হদিশ করলো চাঁপদানি ফাঁড়ির পুলিশ

চিকিৎসকদের মতে, করোনা মোকাবিলার প্রধান দাওয়াই হল জনবিচ্ছিন্ন হওয়া। সামাজিক মেলামেশা থাকবে অবশ্যই, তবে তা হবে সোশ্যাল ডিস্টেন্সি মেনে।
রাজ্যবাসীর একাংশ এখনও মাস্ক পরায় অভ্যস্ত হননি। ভিড় বাসে উঠতে গেলে উঠতে হচ্ছে দূরত্ব বিধি শিকেয় তুলেই। বাদুঝোলা বাসের ছবি কাগজে বের হলেও বোধহয় হয় চোখে পড়ে না সরকারের।
অথচ সাপ্তাহিক লকডাউন জারি হচ্ছে কেবল সোশ্যাল ডিসটেন্সি মেন্টেন করতেই! তাহলে যে সব বাস এই নিয়ম লঙ্ঘন করে যাত্রী তুলছে, তাদের বিরুদ্ধে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, এ প্রশ্ন ওঠে বই কি!
ভাবের ঘরে চুরি করে লাভই বা কার!

মোবাইলে খবরের নোটিফিকেশন পেতে এখানে ক্লিক করুন - Whatsapp , Facebook Group

আমাদের খবর পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন - Whatsapp
Close
Close