KOLKATA WEATHER
এক ঝলকেকলকাতাদক্ষিণবঙ্গ

ভোর রাতে দেহ পাচার করতে গিয়ে কলকাতা পুলিশের হাতে ধরা পড়লো চালক সহ ৪ জন

ভোর রাতে দেহ পাচার করতে গিয়ে কলকাতা পুলিশের হাতে ধরা পড়লো চালক সহ ৪ জন। ধৃত দের নাম সুজাতা গায়েন , অজয় রাং , মালিনা মন্ডল , বাসু মন্ডল ও ট্যাক্সি চালক এক ( তার নাম জানা যায় নি ) । জানা গেছে , প্রগতি ময়দান থানার পুলিশ ধৃতদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

আরও পড়ুন : বিশ্ব আদিবাসী দিবস উপলক্ষে কৃষ্ণনগর পুলিশ ডিস্ট্রিক্টের আদিবাসী সম্প্রদায়কে মাক্স বিতরণ ও সম্মান প্রদান কর্মসূচি

পুলিশ সূত্রে খবর , হরিদেবপুর কালিতলার বাসিন্দা সুজামনী গায়েন ( ৬০ ) এর বড় পুত্রবধূ সুজাতা গায়েনের সাথে প্রতিনিয়তই অশান্তি লেগে থাকতো। সুজাতা জানায় , তার শাশুড়ি অর্থাৎ সুজামণী দেবী তাকে অত্যন্ত বিরক্ত করতো প্রতিনিয়ত। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে , শাশুড়ির বিরক্তি সহ্য করতে না পেরে তার বাবা মা ও মামার সাথে শাশুড়িকে খুন করার পরিকল্পনা করে সুজাতা। এরপরই গতকাল রাতে বাড়িতে রাতের খাওয়া দাওয়া সেরে । সুজামনি দেবীর মাথায় প্রথমে ভারী কিছুর আঘাত করে ওই তিন অভিযুক্ত। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে শ্বাসরোধ করা হয় বলে জানা গেছে। এরপরই আজ ভোর রাতের দিকে ওই মৃতদেহ লোপাটের চেষ্টায় সবজি ভর্তি একটি বস্তায় মৃতদেহ ভরে সুজাতা গায়েন ও তার মা , বাবা ও মামা একটি ট্যাক্সি করে রওনা দেন। সেসময় পরমার সামনে পুলিশের টহলদারি চলছিল। পুলিশের ওই হলুদ ট্যাক্সিটি সন্দেহভাজন লাগায় ট্যাক্সি দাঁড় করান টহলদারি পুলিশ কর্মীরা। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাদের কথায় অসঙ্গতি মেলায় দ্বিতীয়বার ওই ট্যাক্সি টিকে প্রগতি ময়দান থানা এলাকায় দাঁড় করায় পুলিশ কর্মীরা। এরপর গাড়িতে কি আছে জিজ্ঞেস করতেই ভিতরে থাকা দুই যাত্রী বলে , ‘সবজীর বস্তা আছে’। পুলিশ কর্মী ওই ট্যাক্সির ডিকি খুলতে বললে ভিতরে থাকা যাত্রীরা তাতে আপত্তি জানায়। এতে পুলিশের সন্দেহ হলে জোর যাবস্তি পুলিশ ওই ট্যাক্সির ডিকি খুলে সবজীর বস্তায় তল্লাশি চালায়। এরপরই বস্তা থেকে দুটি কুমড়ো সরাতেই বেরিয়ে আসে একটি মৃতের মাথা। এরপরই পুলিশ ওই ট্যাক্সির চালক সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে।

মোবাইলে খবরের নোটিফিকেশন পেতে এখানে ক্লিক করুন - Whatsapp , Facebook Group

আমাদের খবর পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন - Whatsapp
Close
Close