KOLKATA WEATHER
কলকাতাকলকাতা পুলিশদক্ষিণবঙ্গ

বেলেঘাটায় ক্লাবে বিস্ফোরণ, তদন্তে পুলিশ ও ফরেন্সিক দল

নিজস্ব সংবাদদাতা: সাতসকালে তীব্র বিস্ফোরণে উড়ে গেল ক্লাব ঘরের ছাদ! ঘটনাটি ঘটেছে খাস কলকাতার বুকে বেলেঘাটা গাঁধী ময়দানের কাছে একটি দোতলা ক্লাবে। বিস্ফোরণের আওয়াজে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ।
খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বেলেঘাটা থানার পুলিশ। খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডকেও। ক্লাব কর্তাদের দাবি, বোমাবাজির ফলে এই কাণ্ড ঘটেছে। যদিও ওই ক্লাবের ছাদে কোনও ধরনে বিস্ফোরক মজুত রাখার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।

মঙ্গলবার ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল সাড়ে ছ’টা হবে। আচমকা প্রচণ্ড বিস্ফোরণ । কেঁপে ওঠে গান্ধী ভবন সংলগ্ন এলাকা। ঘুম থেকে উঠে বাইরে বেরিয়ে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। ততক্ষণে তাঁরা দেখেন ক্লাবের ছাদ ও দেওয়াল একাংশ উড়ে গিয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। বিস্ফোরণের ঘটনার পর ওই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন দাবি করেন, দোতলার ওই ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিল। সেই সিলিন্ডার ফেটে গিয়েছে কোনও ভাবে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটা বড় অংশ যাঁরা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে চান, দাবি করেছেন, ওই ক্লাবে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিল না।

আরও পড়ুন: রোজভ্যালি সহ অন্যান্য তদন্তে গতি আনতে ইডির স্পেশাল ডিরেক্টর বদলি

ক্লাব সদস্যদের অন্য একটি অংশের দাবি, ওটা বাচ্চাদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বোমা রাখার অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাঁদের পাল্টা দাবি, বাইরে থেকে কোনও দুষ্কৃতী এসে দেওয়াল লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ে পালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাইরে নয়, বিস্ফোরণ ঘটেছিল ক্লাবের ভিতরেই। কারণ ভিতরে স্প্লিন্টার পাওয়া গিয়েছে। সালফার বা গন্ধক এবং হাত বোমায় ব্যবহৃত অন্যান্য উপকরণেরও চিহ্ন মিলেছে। বেলেঘাটা থানার আধিকারিকরা বিস্ফোরণ কী ভাবে হয়েছে তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। তবে কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের কথায়, ‘‘ ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতামত ছাড়া বলা সম্ভব নয় কী কারণে বিস্ফোরণ।”

 

মোবাইলে খবরের নোটিফিকেশন পেতে এখানে ক্লিক করুন - Whatsapp , Facebook Group

আমাদের খবর পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন - Whatsapp
Close
Close